পশুর কাজ মানব জাতি কে বিরক্ত করা, আর মানব
জাতির কাজ পশু কে তার নিজের অবস্থান দেখান
বা নিয়ন্ত্রন করা।মানুষের সাথে পশুর তুলনা হয় না।
কিন্তু আজ কাল কিছু কিছু মানুষের শিক্ষা গ্রহন করার
ইচ্ছা শক্তি এতই ভয়ঙ্কর হয়েছে যে তারা পশুদের কাছ
থেকে শিক্ষা নেওয়া শুরু করেছে।আজব হলেও
সত্যি আমরা দেখেও কিছু করি না বা বলি না।
আমি নিজেও এখন পর্যন্ত এমন কিছু করতে পারি নাই
বা করা হয় নাই।সাহস এর অভাব
কিনা বুঝতে পারছি না।সে সুযোগ পাই নাই।এখনকার
জুগে নিজেকে মানুষ হিসেবে প্রমান
করতে হয়,নিজের মনুসত্তের জানান দিতে হয়,ভাবতেই
কস্ট হয়।দোস তো আমাদেরি।কোনো দিন
তো কোনো জানোয়ার কে দেখি নাই
মানুষে রুপান্তর হতে,তবুও কেন মাঝে মাঝে মানুষ পশু
হয়ে যায় ???
জাতির কাজ পশু কে তার নিজের অবস্থান দেখান
বা নিয়ন্ত্রন করা।মানুষের সাথে পশুর তুলনা হয় না।
কিন্তু আজ কাল কিছু কিছু মানুষের শিক্ষা গ্রহন করার
ইচ্ছা শক্তি এতই ভয়ঙ্কর হয়েছে যে তারা পশুদের কাছ
থেকে শিক্ষা নেওয়া শুরু করেছে।আজব হলেও
সত্যি আমরা দেখেও কিছু করি না বা বলি না।
আমি নিজেও এখন পর্যন্ত এমন কিছু করতে পারি নাই
বা করা হয় নাই।সাহস এর অভাব
কিনা বুঝতে পারছি না।সে সুযোগ পাই নাই।এখনকার
জুগে নিজেকে মানুষ হিসেবে প্রমান
করতে হয়,নিজের মনুসত্তের জানান দিতে হয়,ভাবতেই
কস্ট হয়।দোস তো আমাদেরি।কোনো দিন
তো কোনো জানোয়ার কে দেখি নাই
মানুষে রুপান্তর হতে,তবুও কেন মাঝে মাঝে মানুষ পশু
হয়ে যায় ???
স্বপ্নভঙ্গ
মানুষ তখন'ই কাঁদে,
যখন নিজের মনের
সাথে যুদ্ধ
করে হেরে যায়।
যখন আপন, পর
হয়ে যায়,
অথবা স্বপ্নভঙ্গ হলে,
তখন বুকের চাপা কষ্ট
গুলি চোখ দিয়ে অশ্রু
হয়ে ঝড়ে পরে॥
যখন নিজের মনের
সাথে যুদ্ধ
করে হেরে যায়।
হয়ে যায়,
অথবা স্বপ্নভঙ্গ হলে,
তখন বুকের চাপা কষ্ট
গুলি চোখ দিয়ে অশ্রু
হয়ে ঝড়ে পরে॥
কখনো হীনমন্যতায় ভুগবে না
কখনো হীনমন্যতায় ভুগবে না। এই পৃথিবীর
কাছে তোমার গুরুত্ব অনেক। তুমি শুধু
পারে তবে তোমার মত একটা মানুষও নেই।
তোমার আঙুলের ছাপ আর কারো সাথে
মিলবে না।তুমি যেভাবে নিচের ঠোঁট উল্টো
করে কাদো; ঠিক এভাবে আর কেউ কাঁদে
না। তুমি যেভাবে দুঃখ পাও, যেভাবে
ভালোবাসো; তোমার মত করে আর কেউ
এভাবে ভালোবাসে না। তুমি শুধু একজনই;
সেটা তুমি।
তিলে তিলে কষ্ট পেয়ে মরে যাবার জন্য
তোমার জন্ম হয়নি। তুমি তোমার কষ্ট
গুলোকে
মেরে ফেলতে পারবে না তবে তুমি চাইলেই
নিজেকে তিলে তিলে মেরে ফেলার হাত
থেকে বাঁচাতে পারো। তোমাকে পাথরের
মত শক্ত হতে হবে যেখানে তলোয়ার দিয়ে
আঘাত করলে তলোয়ার মচকে যাবে; পাথরে
দাগ হবে; ভাঙ্গবে না।
উঁচু ছাদ থেকে নিচের দিকে তাকালে
কেবলই পড়ে যাবার দৃশ্য চোখের সামনে
ভেসে আসবে ; আর আকাশের দিকে তাকালে
উড়তে ইচ্ছে করবে।
তোমার ঘাড়টা নিচের দিকে নুইয়ে আছে।
আর কাউকে পাশে না পেলে দু হাত দিয়ে
ধরে নিজের ঘাড়টাকে উঁচু কর। দেখো- এই
অপূর্ব পৃথিবীটা সেজে গুজে তোমার জন্য
অপেক্ষা করছে।
কখনো হাল ছাড়বে না, হাল ছেড়ে দিলে
তোমার নিয়তি তোমাকে ছেড়ে দিবে। অন্য
কিছু খোঁজার আগে নিজের ভেতরের সেই
বারদটাকে খুঁজে বের কর। পুরো পৃথিবীটাকে
আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেবার জন্য শুধু মাত্র
একটা ম্যাচের কাঠিই যথেষ্ট।
কখনো এটা মনে করবে না যে তুমি মেধাবী
না। তোমার ভেতরে যা আছে আর যা নেই
সেটা স্বয়ং তিনি দিয়েছেন যিনি তোমাকে
বানিয়েছেন এবং নিশ্চয়ই তিনি কখনো ভুল
করেন না।
তোমাকে আর কারো মত করে বানানো
হয়নি।
আর কাউকেও তোমার মত করে বানানো
হয়নি। তুমি যেটা পারবে,সেটা আর কেউ
পারবে না। তোমার কাছে এমন একটা বারদ
আছে যেটা আর কারো কাছে নেই। খুঁজে
বের কর; তারপর জ্বালিয়ে দাও।
একটা কথা মনে রাখবে, তুমি তোমার
জীবনের সেরা সময়টা এখন পার করছ।
কেননা
এখনের সময়টা ঠিক ভাবে কাজে লাগাতে
না পারলে সেরা সময়টা আসবে না।
কাছে তোমার গুরুত্ব অনেক। তুমি শুধু
একজনই;
সেটা তুমি। কোটি কোটি মানুষ থাকতেপারে তবে তোমার মত একটা মানুষও নেই।
তোমার আঙুলের ছাপ আর কারো সাথে
মিলবে না।তুমি যেভাবে নিচের ঠোঁট উল্টো
করে কাদো; ঠিক এভাবে আর কেউ কাঁদে
না। তুমি যেভাবে দুঃখ পাও, যেভাবে
ভালোবাসো; তোমার মত করে আর কেউ
এভাবে ভালোবাসে না। তুমি শুধু একজনই;
সেটা তুমি।
তিলে তিলে কষ্ট পেয়ে মরে যাবার জন্য
তোমার জন্ম হয়নি। তুমি তোমার কষ্ট
গুলোকে
মেরে ফেলতে পারবে না তবে তুমি চাইলেই
নিজেকে তিলে তিলে মেরে ফেলার হাত
থেকে বাঁচাতে পারো। তোমাকে পাথরের
মত শক্ত হতে হবে যেখানে তলোয়ার দিয়ে
আঘাত করলে তলোয়ার মচকে যাবে; পাথরে
দাগ হবে; ভাঙ্গবে না।
উঁচু ছাদ থেকে নিচের দিকে তাকালে
কেবলই পড়ে যাবার দৃশ্য চোখের সামনে
ভেসে আসবে ; আর আকাশের দিকে তাকালে
উড়তে ইচ্ছে করবে।
তোমার ঘাড়টা নিচের দিকে নুইয়ে আছে।
আর কাউকে পাশে না পেলে দু হাত দিয়ে
ধরে নিজের ঘাড়টাকে উঁচু কর। দেখো- এই
অপূর্ব পৃথিবীটা সেজে গুজে তোমার জন্য
অপেক্ষা করছে।
কখনো হাল ছাড়বে না, হাল ছেড়ে দিলে
তোমার নিয়তি তোমাকে ছেড়ে দিবে। অন্য
কিছু খোঁজার আগে নিজের ভেতরের সেই
বারদটাকে খুঁজে বের কর। পুরো পৃথিবীটাকে
আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেবার জন্য শুধু মাত্র
একটা ম্যাচের কাঠিই যথেষ্ট।
কখনো এটা মনে করবে না যে তুমি মেধাবী
না। তোমার ভেতরে যা আছে আর যা নেই
সেটা স্বয়ং তিনি দিয়েছেন যিনি তোমাকে
বানিয়েছেন এবং নিশ্চয়ই তিনি কখনো ভুল
করেন না।
তোমাকে আর কারো মত করে বানানো
হয়নি।
আর কাউকেও তোমার মত করে বানানো
হয়নি। তুমি যেটা পারবে,সেটা আর কেউ
পারবে না। তোমার কাছে এমন একটা বারদ
আছে যেটা আর কারো কাছে নেই। খুঁজে
বের কর; তারপর জ্বালিয়ে দাও।
একটা কথা মনে রাখবে, তুমি তোমার
জীবনের সেরা সময়টা এখন পার করছ।
কেননা
এখনের সময়টা ঠিক ভাবে কাজে লাগাতে
না পারলে সেরা সময়টা আসবে না।
ভোলা জেলার ঐতিহ্য
ভোলা বাংলাদেশের বৃহত্তম প্রাচীন গাঙ্গেয় ব-দ্বীপ। এখানকার সংস্কৃতিতে রয়েছে মিশ্র প্রভাব। ভোলার মেঘনা তেতুলিয়ার তীর ঘেষে রয়েছে ছোট ছোট জেলে পল্লী। মাছ ধরা মৌসুমকে সামনে রেখে পল্লীর মহিলা ও শিশু কিশোররা পালাগান গেয়ে রং বেরংয়ের সুতা দিয়ে জাল বোনে। এক কিলোমিটার এলাকা জুড়ে এসব জাল টানানো হয়। তখন বাড়িতে বাড়িতে চলে উৎসব।
এখানে জমিদারী প্রথা বিলুপ্ত হলেও অনেক জমিদার বাড়ি সগৌরবে দাড়িয়ে আছে। যেমন- মানিকা মিয়া বাড়ি, কুতুবা মিয়া বাড়ি, দেউলা তালুকদার বাড়ি, পরান তালুকদার বাড়ি, রজনী করের বাড়ি ইত্যাদি। তবে দৌলতখানের জমিদার কালা রায়ের বাড়ি ছিল বিখ্যাত। তার প্রাসাদে হতো বাইজী ও ক্লাসিকাল ঢঙের ওস্তাদদের গান। নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে এ বাড়ি। এছাড়া জাগ্রত মাজার হচ্ছে হযরত উজির চান করনীর মাজার।
ভোলার ঘুইঙ্গার হাটের মিষ্টি ও ঘোষের দধির সুনাম দীর্ঘকাল ধরে। অতিথি আপ্যায়ন ও জামাই আপ্যায়নে ভোলাবাসীর প্রথম পছন্দ এ দধি ও মিষ্টি। বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে এ মিষ্টি ও দধি উপঢৌকন হিসেবে পাঠানো হয়।
ভোলায় এককালে লবণ তৈরি হতো। সমুদ্রের লবণাক্ত পানি খাল দিয়ে ভোলায় অভ্যন্তরে প্রবেশ করলে লবণাক্ত পানি আটকিয়ে আগুনে জ্বাল দিয়ে লবণ তৈরি করা হতো। অধিকাংশ লবণ তখন তজুমদ্দিন, মির্জাকালুতে বিক্রি হতো। ব্রিটিশ সরকার লবণ কর বৃদ্ধি ও নানা বিধি-নিষেধ আরাপ করায় ১৯৩০ সালে ভোলায় লবণ আন্দোলন শুরু হয়। ১৯৩০ সালের ১লা বৈশাখ পুলিশের গুলিতে ২জন মারাও যায়। পরে লবণ উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেলেও সে স্মৃতি আজো অম্লান হয়ে আছে।
ভোলা একটি গ্যাস সমৃদ্ধ এলাকা হিসেবে পরিচিত। ভোলা শাহবাজপুর গ্যাস ফিল্ডে ১ ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস মজুদ আছে। এ গ্যাস দিয়ে ভোলার চাহিদা মিটিয়েও বাইরে পাঠানো যায়। এ গ্যাস দিয়ে ইতোমধ্যেই একটি সার কারখানা স্থাপনের নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে। বর্তমানে বোরহান উদ্দিন ২২৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্রে গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে,এবং উৎপাদন হচ্ছে বিদ্যুৎ।
ভোলা মহিষের বাথানের জন্য বিখ্যাত। ভোলার বিভিন্ন চরে অর্ধশতাধিক মহিষের বাথান আছে। এসব বাথান থেকে প্রতিদিন শত শত কেজি দুধ উৎপাদিত হয় এবং এ দুধ থেকেই তৈরি হয় বিখ্যাত মহিষের দধি, পনির ও ঘি। এসব ভোলার বাইরে পাঠানো হয় বিক্রির জন্য।
ভোলার বিচ্ছিন্ন দ্বীপ মনপুরা ছিল পর্তুগীজ দস্যুদের দখলে। পরে এখানে বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা লোকজন বসতি স্থাপন করে। এখানে কান লম্বা, কেশর ভরা বিখ্যাত জাতের কুকুর ছিল। এখন বিলুপ্ত প্রায়। এখানে পর্তুগীজের তৈরি করা প্যাগোডার ধ্বংসাবশেষ রয়ে গেছে।
এখানে গ্রামাঞ্চলে দাড়িয়াপাল্লা, ফুটবল, কাবাডি, হাডুডু খেলার প্রচলন ছিল। এখনও এসব খেলা হয়। ভোলার কলঘাট এলাকায় একসময় স্টিমার ঘাট ছিল। নদী ভরাট হয়ে যাওয়ায় এখন এটি শুধু স্মৃতি।
এখানে জমিদারী প্রথা বিলুপ্ত হলেও অনেক জমিদার বাড়ি সগৌরবে দাড়িয়ে আছে। যেমন- মানিকা মিয়া বাড়ি, কুতুবা মিয়া বাড়ি, দেউলা তালুকদার বাড়ি, পরান তালুকদার বাড়ি, রজনী করের বাড়ি ইত্যাদি। তবে দৌলতখানের জমিদার কালা রায়ের বাড়ি ছিল বিখ্যাত। তার প্রাসাদে হতো বাইজী ও ক্লাসিকাল ঢঙের ওস্তাদদের গান। নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে এ বাড়ি। এছাড়া জাগ্রত মাজার হচ্ছে হযরত উজির চান করনীর মাজার।
ভোলার ঘুইঙ্গার হাটের মিষ্টি ও ঘোষের দধির সুনাম দীর্ঘকাল ধরে। অতিথি আপ্যায়ন ও জামাই আপ্যায়নে ভোলাবাসীর প্রথম পছন্দ এ দধি ও মিষ্টি। বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে এ মিষ্টি ও দধি উপঢৌকন হিসেবে পাঠানো হয়।
ভোলায় এককালে লবণ তৈরি হতো। সমুদ্রের লবণাক্ত পানি খাল দিয়ে ভোলায় অভ্যন্তরে প্রবেশ করলে লবণাক্ত পানি আটকিয়ে আগুনে জ্বাল দিয়ে লবণ তৈরি করা হতো। অধিকাংশ লবণ তখন তজুমদ্দিন, মির্জাকালুতে বিক্রি হতো। ব্রিটিশ সরকার লবণ কর বৃদ্ধি ও নানা বিধি-নিষেধ আরাপ করায় ১৯৩০ সালে ভোলায় লবণ আন্দোলন শুরু হয়। ১৯৩০ সালের ১লা বৈশাখ পুলিশের গুলিতে ২জন মারাও যায়। পরে লবণ উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেলেও সে স্মৃতি আজো অম্লান হয়ে আছে।
ভোলা একটি গ্যাস সমৃদ্ধ এলাকা হিসেবে পরিচিত। ভোলা শাহবাজপুর গ্যাস ফিল্ডে ১ ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস মজুদ আছে। এ গ্যাস দিয়ে ভোলার চাহিদা মিটিয়েও বাইরে পাঠানো যায়। এ গ্যাস দিয়ে ইতোমধ্যেই একটি সার কারখানা স্থাপনের নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে। বর্তমানে বোরহান উদ্দিন ২২৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্রে গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে,এবং উৎপাদন হচ্ছে বিদ্যুৎ।
ভোলা মহিষের বাথানের জন্য বিখ্যাত। ভোলার বিভিন্ন চরে অর্ধশতাধিক মহিষের বাথান আছে। এসব বাথান থেকে প্রতিদিন শত শত কেজি দুধ উৎপাদিত হয় এবং এ দুধ থেকেই তৈরি হয় বিখ্যাত মহিষের দধি, পনির ও ঘি। এসব ভোলার বাইরে পাঠানো হয় বিক্রির জন্য।
ভোলার বিচ্ছিন্ন দ্বীপ মনপুরা ছিল পর্তুগীজ দস্যুদের দখলে। পরে এখানে বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা লোকজন বসতি স্থাপন করে। এখানে কান লম্বা, কেশর ভরা বিখ্যাত জাতের কুকুর ছিল। এখন বিলুপ্ত প্রায়। এখানে পর্তুগীজের তৈরি করা প্যাগোডার ধ্বংসাবশেষ রয়ে গেছে।
এখানে গ্রামাঞ্চলে দাড়িয়াপাল্লা, ফুটবল, কাবাডি, হাডুডু খেলার প্রচলন ছিল। এখনও এসব খেলা হয়। ভোলার কলঘাট এলাকায় একসময় স্টিমার ঘাট ছিল। নদী ভরাট হয়ে যাওয়ায় এখন এটি শুধু স্মৃতি।
















